“বয়স শুধুই একটি সংখ্যা”— বহুল প্রচলিত এই কথাটির বাস্তব উদাহরণ যেন রুবাবা দৌলা। পঞ্চাশের গণ্ডি পেরিয়েও তার ব্যক্তিত্ব, আভিজাত্য, আত্মবিশ্বাস এবং প্রাণবন্ত উপস্থিতি সহজেই নজর কাড়ে সবার। বাংলাদেশের করপোরেট জগতের এই সফল নারী কীভাবে নিজেকে এতটা ফিট, সতেজ ও চিরযৌবনা ধরে রেখেছেন, তা নিয়েই সম্প্রতি খোলামেলা কথা বলেছেন এক সাক্ষাৎকারে।
তার মতে, ফিটনেস মানেই শুধু ব্যায়াম, ডায়েট বা কায়িক পরিশ্রম নয়। বরং সুস্থ জীবনযাপনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো মানসিক সুস্থতা। শরীরের পাশাপাশি মনের যত্ন নেওয়াও সমান জরুরি বলে মনে করেন তিনি।
সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রুবাবা দৌলা জানান, ইতিবাচক মানসিকতা বা পজিটিভ মাইন্ডসেটই তাকে সুস্থ ও প্রাণবন্ত থাকতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে। করপোরেট জীবনের ব্যস্ততা, দায়িত্ব এবং চাপের মধ্যেও নিজের জন্য আলাদা সময় রাখা, পছন্দের কাজ করা এবং ছোট ছোট আনন্দ উপভোগ করাই তাকে ভেতর থেকে শক্তি জোগায়।

তিনি মনে করেন, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সমাজে এখনো অনেক সংকোচ ও ভুল ধারণা রয়েছে। শরীর খারাপ হলে মানুষ চিকিৎসকের কাছে গেলেও ডিপ্রেশন বা মানসিক সমস্যাকে অনেকেই গুরুত্ব দিতে চান না। অথচ মনের সুস্থতাও শারীরিক সুস্থতার মতোই গুরুত্বপূর্ণ।নিজেকে মানসিকভাবে শক্ত ও স্থির রাখতে নিয়মিত মেডিটেশন বা ধ্যানের চর্চা করেন রুবাবা দৌলা। তার ভাষায়, ইতিবাচক চিন্তা এবং মানসিক প্রশান্তিই মানুষকে ভেতর থেকে সুন্দর ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।
সবমিলিয়ে রুবাবা দৌলা বোঝাতে চেয়েছেন, জীবনে আত্মনিয়ন্ত্রণ, মানসিক প্রশান্তি এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থাকলে বয়স কখনোই বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সেও তার ফিটনেস, এলিগেন্স ও তারুণ্যের দীপ্তি মূলত সুন্দর জীবনচিন্তা এবং মানসিক সুস্থতারই প্রতিফলন।
এসসি//



