আদালত ঘোষিত ফেরারি আসামিরা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) খসড়া চূড়ান্ত করে ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।”
🔹 নির্বাচনী খরচের নতুন সীমা
ইসি জানায়, একজন প্রার্থী ভোটারপ্রতি সর্বোচ্চ ১০ টাকা অথবা আসনপ্রতি সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে পারবেন। তবে অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিলের সুযোগ থাকছে না।
🔹 হলফনামা ও জামানত সংক্রান্ত পরিবর্তন
সানাউল্লাহ বলেন, “কেউ নির্বাচিত হওয়ার পর হলফনামার তথ্য মিথ্যা প্রমাণিত হলে সংসদ সদস্যপদ বাতিল হবে। এছাড়া প্রার্থীদের জামানত ২০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে।”
🔹 সমান ভোট হলে পুনরায় নির্বাচন
আগে সমান ভোট হলে লটারির মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করা হতো। কিন্তু এবার সেই নিয়ম বাতিল করা হয়েছে। এখন থেকে সমান ভোট পড়লে পুনরায় ভোট হবে।”
🔹 নির্বাচনী প্রচারণায় নতুন বিধি
নির্বাচনী পোস্টার পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়া ও এআই ব্যবহার করে আচরণবিধি ভঙ্গের সুযোগ থাকবে না।
🔹 আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ
নতুন সংজ্ঞায় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আওতায় ধরা হয়েছে। আর এবার থেকে জেলা প্রশাসক নয়, বরং জেলা নির্বাচন অফিসার ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রস্তুত করবেন।
🔹 নির্বাচনী আইন সংস্কারের প্রক্রিয়া
প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মাসখানেক ধরে দফায় দফায় আলোচনা শেষে আরপিও সংশোধনের প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে ইসি। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অনুমোদন পেলে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারি হবে। অন্যদিকে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে আচরণবিধি গেজেট আকারে প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।”
এসসি//



