রাজধানীর উত্তরা এলাকায় প্রাইভেট বিমান বিধ্বস্তের মর্মান্তিক ঘটনায় প্রাণ হারাল ১০ বছর বয়সী আয়মান। শুক্রবার (১৬ জুলাই) সকালে সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের ফিমেল হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (FHDU)।”
আয়মান ছিল মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। দুর্ঘটনার দিন থেকেই সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিল এবং শরীরের ৪৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল আগুনে।”
শিশু আয়মানের বাড়ি শরীয়তপুর জেলার বেদরগঞ্জ থানার বাসুদেবপুর গ্রামে। সে ওই এলাকার ইসমাইল হোসেনের মেয়ে ছিল।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, “আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আয়মান চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। তার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল। আমরা চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু ব্যর্থ হলাম।”
এই নিয়ে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে মোট ১৪ জন দগ্ধ রোগীর মৃত্যু হলো। এছাড়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ বার্ন ইউনিটেও মারা গেছেন একজন, অর্থাৎ বিমান দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ জনে।”
উত্তরার এ বিমান দুর্ঘটনা গোটা দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। প্রাণ হারাচ্ছেন একজনের পর একজন। শিশু আয়মানের মৃত্যু সেই শোককে আরও ভারী করল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আয়মানের জন্য ভালোবাসা ও শোক জানাচ্ছেন অনেকে।”
এসসি//



