শুক্রবার, এপ্রিল ১০, ২০২৬
Sponsored Ads
Mehedi Hasan
আন্তর্জাতিকবাংলাদেশের দুর্নীতি অভিযোগ ‘ভুল বোঝাবুঝি’: ড.ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ চান টিউলিপ

বাংলাদেশের দুর্নীতি অভিযোগ ‘ভুল বোঝাবুঝি’: ড.ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ চান টিউলিপ

বাংলাদেশে দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে চেয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ চেয়েছেন যুক্তরাজ্যের এমপি ও সাবেক সিটি মিনিস্টার টিউলিপ সিদ্দিক

দ্য গার্ডিয়ান প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ড. ইউনূসের আসন্ন লন্ডন সফরকে কেন্দ্র করে টিউলিপ তাকে একটি চিঠি পাঠান, যেখানে তিনি উল্লেখ করেন—

“লন্ডনে আপনার সফরকালে সাক্ষাতের সুযোগ পেলে, আমার বক্তব্য পরিষ্কার করতে চাই, বিশেষ করে আমার খালার (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যেসব প্রশ্ন উঠেছে তা ব্যাখ্যা দিতে চাই।”

টিউলিপ চিঠিতে আরও দাবি করেন, “বাংলাদেশে দুর্নীতির অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা। এসব ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ওপর দাঁড়ানো।”

চিঠিতে টিউলিপ স্পষ্টভাবে বলেন, “বাংলাদেশের দুদক অভিযোগ করেছে যে, আমি ও আমার মা ৭,২০০ বর্গফুট জমি ক্ষমতার অপব্যবহার করে পেয়েছি। অথচ আমাদের কোনো অর্থনৈতিক স্বার্থ নেই এবং আমরা কখনো জমির মালিকও ছিলাম না।”

তিনি জানান, বাংলাদেশের কোনো আদালতে তার বিরুদ্ধে কোনো সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নেই, এবং দেশটির আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ না করেই ঢাকার একটি অপ্রাসঙ্গিক ঠিকানায় নোটিশ পাঠানো হয়েছে

চিঠিতে টিউলিপ বলেন, “আমি লন্ডনে জন্মেছি এবং যুক্তরাজ্যে বসবাস করছি। দীর্ঘ এক দশক ধরে হ্যাম্পস্টেড ও হাইগেট এলাকার জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছি। বাংলাদেশ আমার হৃদয়ের কাছাকাছি, তবে আমি সেখানে অর্থনৈতিকভাবে জড়িত নই।”

তিনি আরও জানান, “বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন আমাকে অস্বস্তিতে ফেলেছে, যা আমার ভাবমূর্তিকে প্রভাবিত করছে।”

টিউলিপ সিদ্দিক আরও জানান, নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ যাচাইয়ে যুক্তরাজ্যের মন্ত্রীদের আচরণবিষয়ক উপদেষ্টা লরি ম্যাগনাসের কাছে নিজেকে স্বেচ্ছায় তদন্তের জন্য উপস্থাপন করেছিলেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রকাশিত রিপোর্টে তাকে নির্দোষ ঘোষিত করা হয়, তবে পারিবারিক সম্পর্কের কারণে সম্ভাব্য ভাবমূর্তি নিয়ে তাকে সতর্ক থাকতে বলা হয়।

✈️ বিতর্কিত মস্কো সফর ও সম্পত্তি জব্দ প্রসঙ্গে চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, “২০১৩ সালে শেখ হাসিনার রাশিয়া সফরে আমি পর্যটক হিসেবে গিয়েছিলাম, কোনো সরকারি মিশনে নয়।”

এদিকে, দ্য গার্ডিয়ান আরও জানায়, যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি সম্প্রতি ৯০ মিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের কিছু সম্পত্তি জব্দ করেছে, যেগুলোর মালিক শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত দুই ব্যক্তি।

টিউলিপ এসব অভিযোগকে “রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্র” বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, “আমি ব্রিটিশ অর্থ মন্ত্রণালয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলাম। বিতর্ক যাতে সরকারি কাজে বিঘ্ন না ঘটায়, সে কারণে আমি নিজ থেকেই পদত্যাগ করি।”

এসসি//

সম্পর্কিত

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Sponsored Ads
KINIVALO

গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ

সাম্প্রতিক মন্তব্য