'যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ ভিসা থাকা সত্ত্বেও নির্ধারিত সময়ের বেশি থাকলে ভ্রমণকারীদের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এবং দেশে ফেরতের মুখোমুখি হতে হতে পারে বলে সতর্ক করেছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস।'
বৃহস্পতিবার (৫ জুন) সকালে দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, “আপনার অনুমোদিত ভ্রমণকাল শেষ হওয়ার পরও যদি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন, তাহলে আপনাকে দেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের উপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হতে পারে।”
এ সতর্কবার্তাটি এমন সময় এলো, যখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে অভিবাসন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে কড়াকড়ি নীতি বাস্তবায়ন চলছে।”
এদিকে, বুধবার (৪ মে) হোয়াইট হাউজ থেকে নতুন এক নির্বাহী আদেশে জানানো হয়েছে, ১২টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে, আর ৭টি দেশের জন্য আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। এই নিষেধাজ্ঞা আগামী ৯ জুন ২০২৫ থেকে কার্যকর হবে।
‘এই নিষেধাজ্ঞার মূল কারণ হিসেবে নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং অবৈধ অভিবাসী প্রবণতা উল্লেখ করেছে প্রশাসন। যদিও বাংলাদেশ এই তালিকায় রয়েছে কিনা, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি, তবে দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের নাম উঠে এসেছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।’
‘এর আগে ২৩ মে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস জানায়, ভিসা আবেদনকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য আরও গভীরভাবে যাচাই করা হবে। কনস্যুলার কর্মকর্তারা যদি কোনও সন্দেহজনক তথ্য পান, তাহলে আবেদন তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল করা হবে।’
‘বিশেষ করে স্টুডেন্ট, ট্যুরিস্ট এবং বিজনেস ভিসা আবেদনকারীদের তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ভ্রমণ ইতিহাস এবং অর্থনৈতিক সামর্থ্যের ভিত্তিতে যাচাই করা হবে।’
অভিবাসন বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন বৈধ-অবৈধ উভয় অভিবাসনের ক্ষেত্রে কঠোর নজরদারি আরোপ করছে। ফলে ভিসার মেয়াদ শেষে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকারীদের অবশ্যই সতর্ক হতে হবে, অন্যথায় ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সব পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।’
এসসি//



