রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আহত আরও দুইজনকে ছাড়পত্র দিয়েছে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ। তারা হলেন— স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী নূরী জান্নাত ইউশা (১১) এবং বিজ্ঞানের শিক্ষিকা সুমাইয়া রহমান লরিন (৩০)।
রোববার (১০ আগস্ট) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন। তিনি জানান, “নুরী জান্নাত ইউশা শরীরের ১০% দগ্ধ হয়েছিল, আর সুমাইয়া রহমান লরিনের ১৮% দগ্ধ ছিল। গত ২২ জুলাই থেকে তারা এখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।”
তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত দুর্ঘটনায় আহত ১৪ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন, তবে হাসপাতালে এখনও ভর্তি রয়েছেন ২৪ জন, যাদের মধ্যে একজন আইসিইউতে আছেন। এছাড়া, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।”
হাসপাতাল সূত্র জানায়, নূরী জান্নাত ইউশা নোয়াখালীর চাটখিল থানার বাসিন্দা এবং মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অন্যদিকে, সুমাইয়া রহমান লরিন একই প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষিকা, যিনি উত্তরার দক্ষিণখান এলাকায় বসবাস করেন।”
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২২ জুলাই উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশের এলাকায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান প্রশিক্ষণ চলাকালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার ফলে স্কুলের ভবন ও আশপাশের এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ আশপাশের বাসিন্দারা গুরুতর আহত হন।”
দুর্ঘটনার পর দগ্ধদের রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট সর্বাধিক দগ্ধ রোগীর চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে।”
এসসি//



