বাংলাদেশে রাজনৈতিক অচলাবস্থার সমাধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার পক্ষে জাতীয় ঐকমত্য গঠনে এক ধাপ এগিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাতে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই পদ্ধতির প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। তবে গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে রয়েছে বিরোধীদের ভিন্নমত।
কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে র্যাঙ্কিং পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। এতে থাকবেন:
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী
- বিরোধীদলীয় নেতা
- স্পিকার
- ডেপুটি স্পিকার (বিরোধী দলের)
- প্রধান দুই দলের বাইরে তৃতীয় বৃহত্তম দলের একজন প্রতিনিধি
- এবং দুইজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি।
এই সাত সদস্যের কমিটি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তাবিত সদস্যদের মধ্য থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান ও সদস্য নির্বাচন করবেন।
তবে এই র্যাঙ্কিং ভিত্তিক গঠন প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করে বিএনপি, সমমনা জোট, ১২ দলীয় জোট, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, লেবার পার্টি এবং খেলাফত মজলিস কমিশনের কাছে “নোট অব ডিসেন্ট” জমা দিয়েছে।
বিরোধী দলগুলোর দাবির মধ্যে রয়েছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের পুরো প্রক্রিয়া সংসদের মাধ্যমে নির্ধারিত হওয়া উচিত। তাঁদের মতে, বর্তমান র্যাঙ্কিং পদ্ধতিতে ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব থেকে সরকার পুরোপুরি নিরপেক্ষ নাও থাকতে পারে।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সূত্র জানিয়েছে, আলোচনার মাধ্যমে এই মতপার্থক্য দূর করার প্রচেষ্টা চলবে। কমিশন এ বিষয়ে আরও কয়েক দফা আলোচনা সভার আয়োজন করতে পারে।
সৈয়দ আসিফ আলী //এসসি//



