◆চট্টগ্রামের ভাটিয়ারীতে অবস্থিত বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে (বিএমএ) ৮৮তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেন, “বাংলাদেশ একটি শান্তিপ্রিয় উন্নয়নশীল দেশ। সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়—এটাই আমাদের পররাষ্ট্র নীতির ভিত্তি। কিন্তু আমাদের ভৌগোলিক অখণ্ডতা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো রকম আপস করা হবে না।”
▪তিনি আরও বলেন, “বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তনশীল। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, সাইবার যুদ্ধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর সামরিক কৌশলের যুগে সেনাবাহিনীকে হতে হবে আরও সুশৃঙ্খল, দক্ষ ও প্রযুক্তিসম্পন্ন। ভবিষ্যতের যুদ্ধ হবে সম্মিলিত ও যৌথ প্রশিক্ষণনির্ভর। তিন বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বা ‘জয়েন্টনেস’ সাফল্যের পূর্বশর্ত।”
▪অনুষ্ঠানে ১৫৫ জন ক্যাডেট কমিশন লাভ করেন, যার মধ্যে ১২৮ জন পুরুষ ও ২৩ জন মহিলা অফিসার রয়েছেন। এছাড়াও, ফিলিস্তিনের চারজন ক্যাডেট কমিশন লাভ করেন।’
▪ক্যাডেট সম্রাট জাবির ‘সোর্ড অব অনার’ এবং মো. আব্দুল ওয়াদুদ মাসুম ‘সেনাবাহিনী প্রধান স্বর্ণপদক’ অর্জন করেন। ফিলিস্তিনের সার্জেন্ট মোহাম্মদ ইসবেকে ‘বিএমএ ট্রফি অব এক্সিলেন্স’ প্রদান করা হয়।”
◆বিমান বাহিনী প্রধান নবীন অফিসারদের উদ্দেশ্যে বলেন, “তোমাদের আজকের এই কমিশন প্রাপ্তি জীবনের এক গৌরবময় অধ্যায়। আজ থেকে তোমাদের কাঁধে অর্পিত হলো মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব। সততা, একাগ্রতা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে তোমরা দেশ ও জাতির জন্য সেবা করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
▪অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি উচ্চপদস্থ সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, সদ্য কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারগণের বাবা-মা ও অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন।’
▪এই কুচকাওয়াজের মাধ্যমে নবীন অফিসাররা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার শপথ গ্রহণ করেন এবং তাদের কাঁধে অর্পিত হয় মাতৃভূমির সেবার পবিত্র দায়িত্ব।”
এসসি//



