দুর্নীতির বিরুদ্ধে সক্রিয় অবস্থানের কারণে চাকরি হারানো দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক উপ-সহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিন পুনরায় চাকরিতে ফিরছেন।
হাইকোর্ট তার বরখাস্ত আদেশ বৈধ নয় উল্লেখ করে তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি বকেয়া বেতন-ভাতা ও সব প্রাপ্য সুবিধা প্রদানেরও নির্দেশ দেন আদালত।”
বুধবার (৯ জুলাই) বিচারপতি রেজাউল হাসান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথ এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন।”
⚖️ রায় কার্যকর হওয়ার সময়সীমা:
আদালত বলেন, “রায় প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে শরীফ উদ্দিনকে পুনর্বহাল করে সব আর্থিক সুবিধা প্রদান করতে হবে।”
আদালতে শরীফ উদ্দিনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার সালাউদ্দিন দোলন।”
শরীফ উদ্দিনের প্রতিক্রিয়া:
রায় ঘোষণার পর এক প্রতিক্রিয়ায় শরীফ উদ্দিন বলেন,
“আমি ন্যায়বিচার পেয়েছি। ৫ আগস্টের পর দেশের যে রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে, তা আমাকে বিচার পেতে সহায়তা করেছে। আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞ।”
কেন বরখাস্ত হয়েছিলেন শরীফ উদ্দিন?
- ▪শরীফ উদ্দিন ২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বরখাস্ত হন
- ▪সেই সময়ের দুদক চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তার চাকরিচ্যুতি হয়
- ▪বরখাস্তের প্রকৃত কারণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা না হলেও, তিনি চট্টগ্রাম অঞ্চলে সাহসী দুর্নীতিবিরোধী অভিযান ও শক্ত প্রতিবেদন দাখিলের কারণে আলোচনায় আসেন
- ▪তার অপসারণ ঘিরে তীব্র সমালোচনা হয়, মানবাধিকার কর্মীরা তা ‘প্রশংসনীয় সততার শাস্তি’ বলে অভিহিত করেন
📋 আইনি লড়াই:
শরীফ উদ্দিন ২০২২ সালের ১৩ মার্চ হাইকোর্টে রিট করেন। তার পক্ষে রিটটি দায়ের করেন ব্যারিস্টার মিয়া মোহাম্মদ ইশতিয়াক। দীর্ঘ প্রায় দুই বছরের আইনি লড়াইয়ের পর অবশেষে তিনি তার ন্যায়বিচার পেলেন।”
এসসি//



