আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের প্রথমার্ধে— এমনটাই ঘোষণা দিলেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শুক্রবার (৬ জুন) সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
ড. ইউনূস বলেন, “এই নির্বাচন হবে একদম পরিচ্ছন্ন, শান্তিপূর্ণ এবং সর্বোচ্চ জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে। ভবিষ্যতের জন্য যেন কোনো রাজনৈতিক সংকটের বীজ রোপণ না হয়, সে লক্ষ্যেই এই নির্বাচন আয়োজিত হবে।”
তিনি জানান, সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন—এই তিনটি ম্যান্ডেট নিয়েই তার সরকার কাজ শুরু করেছিল। এর মধ্যে নির্বাচন একটি বড় দায়িত্ব। এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেড়যুগ পর একটি প্রকৃত জনপ্রতিনিধিত্বমূলক সংসদ গঠনের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
ড. ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশের রাজনীতিতে যত সংকট এসেছে, তার মূল ছিল ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচন। তাই সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার জরুরি।”
তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন খুব শিগগিরই একটি রোডম্যাপ প্রকাশ করবে, যেখানে ভোটের নির্দিষ্ট দিন, প্রার্থিতা দাখিল, প্রচারণা ও নির্বাচনী আচরণবিধি সম্পর্কে বিস্তারিত থাকবে।
📌 বিচার ও গণঅভ্যুত্থানের দায়
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার আমরা এগিয়ে নিচ্ছি। রোজার ঈদের মধ্যেই বিচার ও সংস্কারে দৃশ্যমান অগ্রগতি হবে বলে আশা করছি।”
তিনি আরো বলেন“আমরা এমন একটি নির্বাচন চাই, যা দেখে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মা শান্তি পাবে।”
🗳️ তরুণ ভোটারদের প্রাধান্য
ড. ইউনূস উল্লেখ করেন, “এই নির্বাচনে বিপুল তরুণ ভোটার প্রথমবারের মতো ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে। তাদের জন্য আমরা এমন পরিবেশ সৃষ্টি করব, যাতে তারা গর্বের সঙ্গে ভোট দিতে পারেন।”
এসসি//



