গাজায় চলমান সংঘাতের অবসানে যুদ্ধবিরতির আলোচনায় অংশ নিতে কাতারে প্রতিনিধি দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছে। তবে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, হামাসের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত কিছু পরিবর্তন ইসরায়েলের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।”
শনিবার (৫ জুলাই) এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহুর অফিস জানায়, আজ রোববার একটি ইসরায়েলি প্রতিনিধি দল কাতারে রওনা দেবে। এর আগের দিন শুক্রবার, হামাস যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দেওয়া যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে ইতিবাচক বলে জানিয়েছিল এবং আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করেছিল।”
🤝 যুদ্ধবিরতির কাঠামো নিয়ে হামাসের শর্ত
হামাস জানায়, তারা মিশর ও কাতারের সাম্প্রতিক মধ্যস্থতা ভিত্তিক প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় আগ্রহী। এক ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP)-কে বলেন,
“হামাস চায়, যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েল ২ মার্চের আগের অবস্থানে ফিরে যাক এবং ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির পর স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিক।”
তারা আরও দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সহায়তায় পরিচালিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন (GHF)-এর মাধ্যমে ত্রাণ বিতরণ বন্ধ করতে হবে।”
🗨️ ট্রাম্পের মন্তব্য: “ইতিবাচক অগ্রগতি”
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত মঙ্গলবার ঘোষণা করেন, ইসরায়েল দুই মাসের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। যদিও তখন ইসরায়েল বা হামাস—কোনো পক্ষই এই ঘোষণার সত্যতা নিশ্চিত করেনি।”
শুক্রবার ট্রাম্প বলেন,
“আমি মনে করি, এটি ইতিবাচক অগ্রগতি। আশা করছি, আগামী সপ্তাহেই গাজার বিষয়ে একটি সমঝোতা সম্ভব হবে। তবে প্রতিদিনই পরিস্থিতি বদলাচ্ছে।”
🏛️ নেতানিয়াহু-ট্রাম্প বৈঠক আসন্ন
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের কিছু অংশ মেনে নিলেও, এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেননি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। এই আলোচনার প্রেক্ষাপটে আগামী সোমবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তিনি।”
এসসি//



