২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গাজা-ইসরায়েল সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৮৮০ জন ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এবং তাদের ওয়েবসাইটে নিহত সেনাদের নামের তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে।”
টাইমস অব ইসরায়েলের বরাতে জানা গেছে,
- ৩২৯ জন সেনা নিহত হন হামাসের ৭ অক্টোবরের সীমান্ত হামলায়।
- ৪৩৬ জন নিহত হন গাজায় স্থল অভিযানের সময়।
- হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয় ৮০ সেনা।
- পশ্চিম তীরে ও ইসরায়েলেই নিহত হন ১৭ সেনা।
- ইরাকে ড্রোন হামলায় ২ জন ও ইরান থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রে ১ সেনা নিহত হন।”
🧍♂️ পুলিশ বাহিনীর হতাহত তালিকাও প্রকাশ
ইসরায়েলি পুলিশ জানিয়েছে, গাজায় চলমান সংঘর্ষে তাদের ৫৮ সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছিলেন অফিসার পদমর্যাদার।”
আইডিএফ আরও জানিয়েছে, সংঘর্ষকালীন সময়ে অন্যান্য দুর্ঘটনায়ও সেনা নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে:
- লেবানন সীমান্তে গোলাবারুদের ত্রুটিতে একজন
- উত্তর ইসরায়েলে ট্যাঙ্ক দুর্ঘটনায় দুইজন
- পশ্চিম তীরে গুলিতে একজন নিহত হয়েছেন।”

⚰️ ইসরায়েলি বেসামরিক হতাহতের চিত্র
গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েলজুড়ে প্রায় ১,২০০ জন বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন, যার বেশিরভাগই ৭ অক্টোবরের প্রাথমিক হামলার সময় প্রাণ হারান।”
☠️ ফিলিস্তিনে ভয়াবহ প্রাণহানি
অন্যদিকে, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসনে ৫৬ হাজার ৩৩১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৬৩২ জন।
ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, নিহতদের মধ্যে ৫৬ শতাংশ নারী ও শিশু, যা আগ্রাসনের ভয়াবহতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে।
ইসরায়েলের পক্ষ থেকে সেনা হতাহতের সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান প্রকাশকে রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে, ”ফিলিস্তিনে বেসামরিক প্রাণহানির সংখ্যা ক্রমাগত বেড়ে চলায় মানবাধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।”
এসসি//



