ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত এবার যুক্তরাষ্ট্রকেও সরাসরি বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। নিউইয়র্ক টাইমস এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপর সরাসরি হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। মিসাইল ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম ইতোমধ্যেই প্রস্তুত করা হয়েছে।'
মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, ”এই প্রস্তুতি ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ ঠেকাতে বা প্রতিরোধ করতে নেওয়া হয়েছে।”
⚠️ মার্কিন ঘাঁটিতে সতর্কতা জারি
‘সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য যে, যুক্তরাষ্ট্রের এ অঞ্চলে ৪০ হাজারের বেশি সৈন্য মোতায়েন রয়েছে।”
🎯 ইরানের সম্ভাব্য হামলার টার্গেট
দুই ইরানি কর্মকর্তা জানান, ”যুদ্ধ শুরু হলে ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিতে প্রথম হামলা চালানো হবে। এছাড়া যদি আরব উপসাগরীয় দেশগুলোর ঘাঁটিগুলো যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে সহায়তা করে, তবে সেগুলোও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।’
ইরান হরমুজ প্রণালীতে মাইন পুঁতে রাখারও প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর চলাচলে মারাত্মক বাধা সৃষ্টি করতে পারে।’
💬 পররাষ্ট্রনীতি ও রাজনৈতিক বার্তা
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি স্পষ্ট করে বলেন, “সামরিক হামলা করে কেউ আমাদের মতামত চাপিয়ে দিতে পারবে না। যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়লে এর দায় থাকবে ইসরায়েল ও তাদের প্রধান সমর্থকদের ওপর।”
🔥 বিপজ্জনক সম্ভাবনা
মার্কিন কর্মকর্তারা মনে করছেন, ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরে জাহাজে হামলা পুনরায় শুরু করতে পারে। একইভাবে ইরাক ও সিরিয়ায় সক্রিয় ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়ারা মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালাতে পারে।
এসসি//



