তেহরানের আকাশে চীনের একটি কার্গো বিমানের অবতরণের পর থেকেই গুঞ্জন আর করোনোমুক্ত নয়—বিশেষ করে অতিমাত্রায় সতর্কতার সাথে অবতরণটি সম্পন্ন করা হয়েছে। খবর অনুযায়ী, ওড়ার সময়ই বিমানের ট্রান্সপন্ডার বন্ধ করা হয়েছিল, যাতে রাডারে চিনা বিমানটি শনাক্ত না হয়।’
ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া ডটকম উল্লেখ করেছে, চীন-পাশাপাশি কৌশলগতভাবে ইরানের সহায়তা নিশ্চিত করতে গোপন স্তরে অস্ত্র পাঠাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রান্সপন্ডার বন্ধ করা বিমান অবতরণ মানেই একটা রহস্যময় অভিযানের সূচনা—অনুমান করা হচ্ছে, যাতে রাখঢাক থাকে অর্থনৈতিক না-তরফিক অস্ত্র বা কৌশলগত সামগ্রী পরিবহনের জন্য।’
যদিও এটি এখনো নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়নি, তবে চীন ও ইরানের দীর্ঘ দিনের সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে।’
এই ঘটনাকে ঘিরে গড়ে উঠছে বিশ্ব রাজনীতিতেও চাপ: যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই চীনকে ইরানকে সহায়তার নির্দেশে সতর্ক করেছে, এবং ইসরায়েল-ইরান দ্বন্দ্বে চীন নিয়ে যাবার আশঙ্কা করছে।’
চীন ও ইরানের সম্পর্ক ২০২১ সালের প্রায় ২৫ বছরের চুক্তি ও সামরিক সহযোগিতার মাধ্যমে ঘনিষ্ঠ হয়েছে।’
১৯৮০ ও ৯০-এর দশকে চীন নিয়মিতভাবে ইরানে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করত। মধ্যপ্রাচ্য ও ভারত মহাসাগর এলাকায় যৌথ নৌ মহড়া চালানো হয়।’
বর্তমানে, ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা প্রকট—ইজরায়েলের অস্ত্র হামলার জবাবে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনে পাল্টা আক্রমণ করছে । চীন যদি সত্যিই প্রতিরেক্ত সহযোগিতায় লিপ্ত হয়, তাহলে তা হবে মধ্যপ্রাচ্যে চতুর্থ শক্তির সরাসরি পদক্ষেপ, যা যুক্তরাষ্ট্র-চীনের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে তীব্র মাত্রায় গতি দেবে।’
এসসি//



