ইসরায়েলের সাম্প্রতিক তেহরান অভিযানের পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ইয়েমেন থেকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ)।
ইতোমধ্যেই জেরুজালেম ও পশ্চিমতীরের দক্ষিণাঞ্চলে সতর্কতা সংকেত (এয়ার রেইড সাইরেন) বাজতে শুরু করেছে।
আল-জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, আইডিএফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে: “ইসরায়েলের দিকে আসা ব্যালিস্টিক মিসাইল শনাক্ত করা হয়েছে। আমাদের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী মিসাইলটি আকাশেই ধ্বংস করার চেষ্টা করছে।”
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, জেরুজালেমে আচমকা সাইরেন বেজে ওঠায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ভাষায়, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে পড়ছে, এবং বহু দেশ একে একে এই সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে।
এর আগে, স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোররাতে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী ইরানের রাজধানী তেহরানে বিশাল এক সামরিক অভিযান চালায়।
এই হামলার কোডনেম ছিল: ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’, যার টার্গেট ছিল:
- ▪ইরানের পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র
- ▪ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ফ্যাক্টরি
- ▪সামরিক কমান্ড হেডকোয়ার্টার
টাইমস অফ ইসরায়েল-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েল বহু বছর ধরে এই অভিযান পরিকল্পনা করছিল।
মোসাদ এজেন্টরা তেহরানে গোপনে ড্রোন ঘাঁটি স্থাপন করে এবং সেগুলো রাতারাতি সক্রিয় করে।
ড্রোনগুলো আগে থেকে প্রস্তুত রাখা ভূমিতে স্থাপিত মিসাইল লঞ্চারগুলোতে হামলা চালায়, যার ফলে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে এবং পাল্টা হামলা চালাতে ব্যর্থ হয়।
এই হামলার পর ইরানে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
সৌদি আরব, তুরস্কসহ মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশ তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনায় তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা অমূলক নয়।‘
এসসি//



