◆রাজধানীর তিতুমীর কলেজে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পিটিয়ে হেলাল উদ্দিন নাঈম(২৬) নামে এক শিক্ষার্থী আহত করেছে। সে তিতুমীর কলেজ শাখার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ইমারজেন্সি ও ক্রাইম সেলের সদস্য।''
▪সোমবার(২৬ মে) দুপুরের দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বিকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে আসছে কর্তব্যরত চিকিৎসক ১০১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি দেন।”
▪আহত বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা হেলাল উদ্দিন নাঈম জানান, তিতুমীর কলেজের হল খোলার দাবিতে আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছিল। এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মারপিট শুরু করে। পরে আমি এগিয়ে গিয়ে মোবাইল দিয়ে ভিডিও করছিলাম ভিডিও শুরুর ৮-৯ সেকেন্ডের ভিতরে আমাকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বেধড়ক মারপিট করে। পরে আমাকে ভিসির রুমে নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ আটকে রেখে আমার স্বীকারোক্তি নিতে চায়। পরে আমার সহযোদ্ধারা সেখান থেকে আমাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে চিকিৎসক আমাকে ভর্তি দেন।”
▪সে আরও জানায়, আমি তিতুমীর কলেজে ১৭-১৮ সেশনের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র। জমির কলেজ শাখার বৈষম বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির ইমারজেন্সিও ক্রাইম সেলের সদস্য। আমাকে তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইমাম হোসেন,যুগ্ন-আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম,আরিফ মোল্লা, রিমু হোসেন, আহ্বায়ক সদস্য আলামিন, জহিরুল ইয়ামিন, রানা আহমেদসহ সকলেই আমার উপর হামলা চালায়।আমি সহ আমাদের তিতুমীর কলেজের অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।এজন্যই কি আমরা জুলাই আন্দোলন করেছিলাম বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।”
▪ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো.ফারুক বলেন, ‘তিতুমীর কলেজ থেকে আহত অবস্থায় এক শিক্ষার্থীকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়েছিল। পরে চিকিৎসক তাকে ১০১ নাম্বার ওয়ার্ডের ৮ নম্বর বেডে ভর্তি দিয়েছেন। বর্তমানে সে ওই ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।”
এসসি//



