➡রাজধানীর কলাবাগান থানার হাতিরপুল এলাকার একটি ফ্লাট থেকে পিনাক রঞ্জন সরকার(২৪) নামে এক শিক্ষার্থীর উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রয়িং এন্ড পেইন্টিং এর মাস্টার্স এর শিক্ষার্থী ছিল।’
সোমবার(২১ এপ্রিল)দিবাগত রাত ১ টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ(ঢামেক) মর্গে পাঠায় পুলিশ।
নিহতের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ সদর জেলার টি এন রায় রোডে।ওই এলাকার স রঞ্জন সরকারের ছেলে ছিল। বর্তমানে হাতিরপুলে ফ্রি স্কুল স্ট্রিট ৩৮৭/৫ নম্বর বাসার এইচ-২ নবম তলা ফ্ল্যাটে মেস করে থাকতো।
পিনাক রঞ্জন সরকারের বন্ধু ও রুমমেট জাহিদ জানান,গতকাল সন্ধ্যা ৬ টা ৪২ মিনিটে সে আমাকে একটি মেসেজ করে আজকে তুই বাসায় আসিস না এবং মেসেঞ্জারের স্টোরিতে সে লেখে আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।আমরা ফ্লাট ভাড়া করে দুজনই থাকতাম। পিনাক একটি রুমে থাকতো এবং আমি ড্রয়িং রুমে থাকতাম আরেকটি রুম ফাঁকা ছিল।আমি অফিস থেকে ফিরে এসে দেখি পাশের ফাঁকা রুমটিতে দরজা লক করা। পরে অনেক ধাক্কাধাক্কি করলেও দরজা না খোলায় ৯৯৯ ফোন দেই। পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ফ্যানের সাথে গলায় গামছা প্যাচানো অবস্থায় দেখতে পায়। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেলে পাঠায় পুলিশ।
তিনি আরো জানান,পিনাক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স এর ড্রইং এন্ড পেইন্টিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল।পাশাপাশি সে বিদেশের স্কলারশিপ এর জন্য চেষ্টা করছিল।মোস্তাফিজের ফাইন আর্টস কোচিং সেন্টারে পার্টটাইম শিক্ষক ছিলেন।একমাস আগে তাকে বিষন্নতা লাগতো কিন্তু আমাদের কাছে এমন কোন কিছু মনে হয়নি যে এমন একটি কাজ ঘটাতে পারে।গতকাল সকালেও তার বাবার সাথে স্বাভাবিকভাবেই কথা বলেছে।
কলাবাগান থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) মোঃ ইকবাল হোসেন জানান, আমরা ৯৯৯ এ খবর পেয়ে রাতে কলাবাগান হাতিরপুলের নবম তলা ফ্ল্যাটে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় ঝুলন্ত মরদহ উদ্ধার করি।পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার মরদহ ময়নাতনদের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো জানান,আমরা জানতে পেরেছি ওই বাসায় কয়েকজন মিলে মেস করে ভাড়া থাকতো। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
এসসি//



