রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার চাঁদ উদ্যান ৬ নম্বর রোডে ছুরিকাঘাতে খুন হন পাতা আল-আমিন (২৬)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি পুলিশের তথ্যদাতা বা ফরমা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।”
বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত মিলে তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়।”
পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আল-আমিনকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”

তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ”নিহত আল-আমিন পূর্বে শেরেবাংলা নগরে ছিনতাইয়ের একটি ঘটনার তথ্য পুলিশের কাছে দিয়েছিলেন। ওই ঘটনায় জড়িত ছিল মোশারফ নামে এক যুবকের ভাই মান্নান। পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার ধারণা থেকেই মোশারফ ও তাঁর সহযোগীরা প্রতিশোধ নিতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।”
তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) একে এম মেহেদী হাসান জানান, “পুরনো শত্রুতা থেকেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হয়েছে, রিপন নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”

নিহতের বাবা রিপন জানান, “মাগরিবের নামাজের পর আল-আমিনের মায়ের মোবাইলে একটি ফোন আসে। ফোন করে জানানো হয় কাজল নামে কেউ আল-আমিনকে খুঁজছে। ফোন পাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই আল-আমিন বাসা থেকে বের হয়ে যায়। পরে আমরা খবর পাই, মোশারফরা আমার ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করেছে।”
আল-আমিনের পরিবার বর্তমানে চাঁদ উদ্যান ৫ নম্বর রোডে বসবাস করেন। তাদের গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর জেলার হাঁটুলিয়া বাগানবাড়ি এলাকায়। নিহত আল-আমিন পাঁচ বছরের এক সন্তানের জনক ছিলেন।”
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকেই বলছেন, পুলিশের সোর্স হওয়ায় এই হত্যাকান্ড ঘটে থাকতে পারে।”
এসসি//



