◆রাজধানীর উত্তর বাড্ডার একটি বাসায় সুমি আক্তার (২৭) নামে এক নারীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে কথিত স্বামী রাসেলের বিরুদ্ধে।ঘটনার পর থেকে ওই কথিত স্বামীর রাতের পলাতক রয়েছে।‘
‘সোমবার(১৬ জুন) তার অর্ধ গলিত মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।’
‘নিহতের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার দুমকি থানার বাস বুনিয়া গ্রামের মোঃ হানিফ হাওলাদারের মেয়ে ছিল।বর্তমানে উত্তর বাড্ডার সোনামিয়া মাতুব্বর রোডের চ-১০০ নম্বর বাসার তৃতীয় তলায় ভাড়া থাকতো।”
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলাম।তিনি বলেন, ”খবর পেয়ে গতরাতেই আমরা ঘটনাস্থলে যাই এবং বিছানার উপর ওই নারীর অর্ধ গলিত মরদেহ উদ্ধার করি।পরে ময়নাতদন্তের জন্য সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।”
ওসি আরও জানান, ”আমরা নিহতের পরিবারের সাথে কথা বলে জানতে পারি তাদের দুজনের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। তারা উত্তর বাড্ডা এলাকায় স্বামী স্ত্রী পরিচয় তিন মাস আগে বাসা ভাড়া নিয়েছিল। আমরা ধারণা করছি ৫-৬ দিন আগে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এই বিষয়ে তার ঐ কথিত স্বামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তাকে গ্রেপ্তারে করতে পারলেই ঘটনার মূল বিষয়টি জানা যাবে।”
নিহত সুমির বোনজামাই আরাফাত জানান, ”আমরা শুনেছি আমার শ্যালিকা রাসেল নামে একটি ছেলেকে বিয়ে করেছে। এরপর থেকে তার সাথে আমাদের ওইভাবে যোগাযোগ ছিল না। তিন মাস আগে উত্তর বাড্ডা এলাকায় স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে একটি বাসার তৃতীয় তলায় থাকত তারা। গতকাল রাতে আমরা খবর পাই আমার শ্যালিকা মারা গেছে। পরে গিয়ে দেখি তার অর্ধ গলিত মরদেহ। আমরা যতদূর জানি রাসেল একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে চাকরি করতো এবং আমার শ্যালিকা নাকি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করতো। ওই বাসায় রাসেলের আরেক ভাগিনা সাকিব আসা-যাওয়া করতো। কয়েকদিন আগে রাসেলের ভাগিনা সাকিব সৌদি আরব চলে গেছে। আমাদের ধারণা রাসেল ও সাকিব দুজনে মিলেই কয়েকদিন আগে তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। রাসেলকে গ্রেপ্তার করা গেলেই ঘটনার মূল রহস্য বেরিয়ে আসবে।’
এসসি//এসএএ//



