ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মামলায় কণ্ঠশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল (৩১) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
▪সোমবার (২০ মে) রাত ২টার দিকে রাজধানীর ডেমরা থানাধীন স্টাফ কোয়ার্টার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ডেমরা জোনের সহকারী কমিশনার নাসিম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।’
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে নোবেলের পরিচয় হয়। এরপর তাদের মাঝে ফোনে যোগাযোগ চলত। ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সাক্ষাতের পর নোবেল ওই নারীকে স্টুডিও দেখানোর কথা বলে ডেমরার বাসায় নিয়ে যান। অভিযোগে বলা হয়েছে, সেখানে আরও ২-৩ জনের সহযোগিতায় তাকে আটকে রেখে নোবেল প্রথমে মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলেন, পরে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় মারধর ও ধর্ষণ করেন। ঘটনাটি ভিডিও করে রাখেন এবং তা ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেন।
নোবেল ভুক্তভোগীকে ১৯ মে পর্যন্ত তার বাসায় আটক রেখে দেন বলে অভিযোগ। পরে সামাজিক মাধ্যমে নোবেলের হাতে মারধরের একটি ভিডিও ভাইরাল হলে পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে। এরপর রাত সাড়ে ৯টার দিকে ডেমরা থানা পুলিশ ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে।’
ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুর রহমান জানান, নারী নির্যাতন আইনে মামলা গ্রহণের পর প্রযুক্তি ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে কণ্ঠশিল্পী নোবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
এছাড়াও, নোবেলের বিরুদ্ধে এর আগেও প্রতারণার অভিযোগে ২০২৩ সালে মামলা হয়। এক অনুষ্ঠানে গান গাইতে যাওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার পর তিনি সেখানে উপস্থিত হননি। তখনও তাকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
কণ্ঠশিল্পী নোবেল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় সঙ্গীত প্রতিযোগিতা ‘সা রে গা মা পা’-এর মাধ্যমে পরিচিতি পান। তার গাওয়া গান বেশ জনপ্রিয়তা পেলেও ব্যক্তিগত জীবন, বিতর্কিত আচরণ ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রায়ই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন তিনি।”
”২০২৩ সালে কুড়িগ্রামে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করায় দর্শকদের জুতা ও পানির বোতল ছোড়ার ঘটনাও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয় এবং সমালোচনার মুখে পড়েন এই গায়ক।”
এসসি//



