খুলনার দৌলতপুরে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক নেতা মোল্লা মাহবুবুর রহমান (৪৫)। শুক্রবার (১১ জুলাই) দুপুরে নিজ বাড়ির সামনেই তাকে গুলি করে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।”
📍 কোথায় ও কিভাবে হত্যা:
এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর থানাধীন মহেশ্বরপাশা পশ্চিম পাড়ায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাহবুব নিজ প্রাইভেটকার পরিষ্কার করছিলেন। ঠিক তখনই তিনজন অস্ত্রধারী দুর্বৃত্ত মোটরসাইকেলে এসে তার ওপর গুলি চালায়। গুলিতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করতে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পায়ের রগ কেটে দেয়।”
📍 কোথায় ও কিভাবে হত্যা:
এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর থানাধীন মহেশ্বরপাশা পশ্চিম পাড়ায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাহবুব নিজ প্রাইভেটকার পরিষ্কার করছিলেন। ঠিক তখনই তিনজন অস্ত্রধারী দুর্বৃত্ত মোটরসাইকেলে এসে তার ওপর গুলি চালায়। গুলিতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করতে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পায়ের রগ কেটে দেয়।”
👤 কে ছিলেন মাহবুবুর রহমান?
মোল্লা মাহবুবুর রহমান ছিলেন দৌলতপুর থানা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি। যদিও ২০২৪ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় রামদা হাতে তার ছবি ছড়িয়ে পড়লে সংগঠন থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়।”
তবে বহিষ্কারের পরও তিনি নিয়মিত বিভিন্ন দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতেন বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।”
⚠️ হত্যাকাণ্ডের পেছনে সম্ভাব্য কারণ:
স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, মাহবুবের সঙ্গে মাদক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এলাকার আরেকটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। তাদের সঙ্গে একাধিকবার মারামারির ঘটনাও ঘটেছে। এলাকার নিয়ন্ত্রণ ও অর্থনৈতিক স্বার্থকে ঘিরেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।”
🚨 পুলিশ কী বলছে?
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর আতাহার আলী গণমাধ্যমকে জানান, নিহত মাহবুবের বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্ট ৮টি মামলা রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, মাদক নিয়ে বিরোধ থেকেই এ হত্যাকাণ্ড।”
তিনি আরও জানান, ”ঘটনাস্থল থেকে চারটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।”
এসসি//



