শনিবার, এপ্রিল ১১, ২০২৬
Sponsored Ads
Mehedi Hasan
রাজধানীসংসদ ভবনের সামনে পুলিশের সঙ্গে ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ সংঘর্ষ, ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

সংসদ ভবনের সামনে পুলিশের সঙ্গে ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ সংঘর্ষ, ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান চলাকালীন পুলিশের সঙ্গে ‘জুলাই যোদ্ধা’ দাবি করা এক পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। ঘটনাস্থলে আগুন, ভাঙচুর এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপে পুরো এলাকা পরিণত হয়েছে রণক্ষেত্রে।

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর ১টা ২৬ মিনিটে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়, যা বেলা ২টার পর পর্যন্ত চলমান ছিল। সংসদ ভবন এলাকায় সরজমিনে দেখা যায়, পুলিশ ও এপিবিএনের সদস্যরা লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন।’

সকাল ১০টার পর থেকেই জুলাই যোদ্ধারা কিছু দাবি নিয়ে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মঞ্চ এলাকায় প্রবেশ করে। দুপুর একটা পর্যন্ত পুলিশ তাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা করার চেষ্টা চালায়, তবে তারা স্থান ছাড়তে অস্বীকৃতি জানায়।

এরপর পুলিশ মৃদু লাঠিচার্জ করে তাদের অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের করে দেয়। কিন্তু বাইরে বেরিয়ে জুলাই যোদ্ধারা পুলিশের ওপর হামলা চালায় এবং সংসদ ভবনের খেজুরবাগান এলাকায় রাখা পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর চালায়। পরে এমপি হোস্টেলের সামনে অগ্নিসংযোগ করে তারা।

পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল ছোড়ে, যাতে বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়। পরে পুলিশ জুলাই যোদ্ধাদের ফার্মগেট ও ধানমন্ডি আড়ংয়ের দিকে ধাওয়া দেয়। সংঘর্ষ চলাকালে উভয়পক্ষ ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে।’

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে অন্তত ২৫ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) ভর্তি করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন জুলাই যোদ্ধা পরিচয় দেওয়া আশিক শাহরিয়ার শাফি। তিনি অভিযোগ করেন, “আমরা শান্তিপূর্ণ অবস্থান নিয়েছিলাম। বিনা উসকানিতে পুলিশ আমাদের লাঠিপেটা করে, তারপর সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল ছোড়ে।”

জুলাই যোদ্ধাদের আরও দাবি, তারা বর্তমানে জিয়া উদ্যান ও ফার্মগেট এলাকায় regroup হচ্ছে এবং শিগগিরই সংসদ ভবনের সামনে পুনরায় অবস্থান নেবে।’

গ্রেপ্তারের বিষয়ে তিনি বলেন, “এখনো গ্রেপ্তারের কোনো নির্দেশনা পাইনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলেই বিস্তারিত জানানো হবে।”

দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত সংসদ ভবন এলাকায় যান চলাচল বন্ধ ছিল। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের কয়েকটি ইউনিট কাজ করে।
এদিকে রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনার পর জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।’

এসসি//

সম্পর্কিত

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Sponsored Ads
KINIVALO

গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ

সাম্প্রতিক মন্তব্য