বর্তমান সময়ে ফেসবুক এবং ইউটিউব দুই প্ল্যাটফর্মেই লাখো মানুষ কনটেন্ট তৈরি করছেন। বিশেষ করে অনলাইন ভিডিও স্ট্রিমিং ও মনিটাইজেশনের সুযোগ থাকায় নতুন ক্রিয়েটরদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তবে প্রশ্ন হলো—কোথায় ইনকাম বেশি: ফেসবুক নাকি ইউটিউব?
ভিউ অনুযায়ী আয়ের পার্থক্য
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ফেসবুকে প্রতি ১০ লাখ ভিউতে আয় হয় গড়ে ১৫ থেকে ২০ ডলার। অন্যদিকে একই ভিউতে ইউটিউবে আয় হয় প্রায় ১০০ থেকে ১২০ ডলার বা তারও বেশি। অর্থাৎ ইনকামের দিক দিয়ে ইউটিউব ফেসবুককে পেছনে ফেলেছে।”
ফেসবুক মনিটাইজেশনের টুল
ফেসবুকের রয়েছে একাধিক মনিটাইজেশন ফিচার। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—
- স্টার্স (Stars)
- ইন-ভিডিও পারচেস
- ব্র্যান্ড কোলাবোরেশন (Brand Collaboration)
এছাড়া ফেসবুকে মনিটাইজেশনের জন্য কমপক্ষে ১০ হাজার পেজ লাইক এবং শেষ ৬০ দিনে ৩০ হাজার মিনিট ভিউ থাকতে হয়।
ইউটিউব মনিটাইজেশনের টুল
ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের আওতায় ক্রিয়েটররা উপার্জন করতে পারেন—
- ইন-স্ট্রিম বিজ্ঞাপন (Ads)
- স্পনসরশিপ (Sponsorships)
- সুপার চ্যাট ও সুপার স্টিকার ডোনেশন
- চ্যানেল মেম্বারশিপ (Memberships)
মনিটাইজেশনের জন্য ইউটিউবে প্রয়োজন অন্তত ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার এবং ৪ হাজার ঘণ্টা ওয়াচ টাইম।
ইউটিউব কেন এগিয়ে?
ডিজিটাল বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউটিউবের এনগেজমেন্ট ও ডেটা ইউসেজ ফেসবুকের তুলনায় অনেক বেশি। ব্যবহারকারীরা ইউটিউবে দীর্ঘ সময় ভিডিও দেখেন এবং বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে কনটেন্ট ক্রিয়েটররা বেশি উপার্জন করতে পারেন।’
সব দিক বিবেচনায় দেখা যায়, ইনকামের ক্ষেত্রে ইউটিউব ফেসবুকের থেকে অনেক এগিয়ে। যারা কনটেন্ট ক্রিয়েশন করে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য ইউটিউব এখনো সবচেয়ে লাভজনক প্ল্যাটফর্ম।
এসসি//



