বর্তমান সময়ে শিশু থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক—প্রায় সবার হাতেই স্মার্টফোন। অনেকে দিনের চেয়ে রাতে বেশি সময় ফোন ব্যবহার করেন, বিশেষ করে ঘুমানোর আগে। ফোনে সোশ্যাল মিডিয়া, ভিডিও বা গেমে ডুবে থাকতে থাকতে সময়ের হিসাব হারিয়ে ফেলেন অনেকেই। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, রাতে অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এতে অনিদ্রা, চোখের সমস্যা, মাথাব্যথা এমনকি মানসিক চাপও বাড়ে।
এই সমস্যার সমাধানে বিশেষজ্ঞরা রাতে মোবাইল আসক্তি কমাতে কিছু কার্যকর উপায়ের পরামর্শ দিয়েছেন—
‘বিরক্ত করবেন না’ মোড ব্যবহার করুন
স্মার্টফোনের ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোড চালু করলে নোটিফিকেশনের শব্দ বন্ধ থাকবে। এতে ঘুম ভাঙবে না এবং মনোযোগ বিচ্ছিন্ন হবে না।
অন্যান্য কাজে মনোযোগ দিন
ঘুমের আগে বই পড়া, গান শোনা, হালকা ব্যায়াম বা সৃজনশীল কাজে সময় দিন, যা মোবাইলের প্রতি আকর্ষণ কমাবে।
ঘুমের আগে অন্তত এক ঘণ্টা মোবাইল ত্যাগ করুন
ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে ফোন বন্ধ করে রাখুন। এর বদলে রিল্যাক্স করার কাজ বেছে নিন।
স্ক্রিন টাইম ট্র্যাকিং অ্যাপ ব্যবহার করুন
প্রতিদিন কত ঘণ্টা মোবাইল ব্যবহার হচ্ছে তা জানতে স্ক্রিন টাইম অ্যাপ ব্যবহার করুন এবং ধীরে ধীরে সময় কমান।
- অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ করুন
গেম, সোশ্যাল মিডিয়া বা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ করে দিন, যাতে বারবার ফোন হাতে নিতে না হয়। - ব্যবহারের সময়সীমা ঠিক করুন
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ফোন ব্যবহার করুন এবং সেই সময়ের বাইরে মোবাইল এড়িয়ে চলুন। - সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার সীমিত করুন
রাতে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা ইউটিউবে দীর্ঘ সময় কাটানো এড়িয়ে চলুন। প্রয়োজনে কয়েকদিন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিরতি নিন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব সহজ অভ্যাস মেনে চললে শুধু স্মার্টফোন আসক্তি কমবে না, বরং ঘুমের মানও উন্নত হবে এবং সার্বিক স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।”
এসসি//



