যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার রাতে স্বাক্ষরিত দুটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ৬৯টি দেশের পণ্যের ওপর ১০ থেকে ৪১ শতাংশ পর্যন্ত নতুন শুল্ক আরোপ করেছেন। এই পদক্ষেপ ১ আগস্ট ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে।
প্রথম আদেশ অনুযায়ী, “পারস্পরিক শুল্ক” নীতির আওতায় যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার মতো ঘনিষ্ঠ মিত্রদের ওপর ১০% হারে শুল্ক বসানো হয়েছে। অন্যদিকে, ভারত ও তাইওয়ানের পণ্যের ওপর যথাক্রমে ২৫% ও ২০% শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, কারণ এই দেশগুলোর সঙ্গে এখনো পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদিত হয়নি।
দ্বিতীয় আদেশে কানাডার নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের ওপর শুল্ক ২৫% থেকে বাড়িয়ে ৩৫% করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, কানাডা সীমান্ত দিয়ে ফেন্টানিল ও অন্যান্য অবৈধ মাদকের প্রবাহ ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে। এই কারণেই দেশটির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন,
“আমাদের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্যতার অভাব ছিল। তাই কিছু নির্দিষ্ট দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।”
তবে, যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা চুক্তি (USMCA) আওতাভুক্ত পণ্যগুলো নতুন শুল্কের বাইরে থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপে বৈশ্বিক বাণিজ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে ভারত, কানাডা ও ইউরোপীয় দেশগুলো এই সিদ্ধান্তকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নীতির পরিপন্থী বলে বিবেচনা করতে পারে।
সৈয়দ আসিফ আলী//এসসি//



