রাজধানীর গুলশানে সাবেক নারী সংসদ সদস্য সাম্মী আহমেদের বাসায় সমন্বয়ক পরিচয়ে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন পাঁচজন। শনিবার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যার পর গুলশানের ৮৩ নম্বর রোডের ঐ বাসায় তারা দ্বিতীয় দফায় চাঁদা নিতে গেলে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—
- মো. সাকাদাউন সিয়াম (২২),
- সাদমান সাদাব (২১),
- মো. আমিনুল ইসলাম (১৩),
- ইব্রাহীম হোসেন (২৪)
- এবং আব্দুর রাজ্জাক রিয়াদ (২৫)।
পুলিশ জানায়, এই চক্রটির নেতৃত্বে ছিলেন রিয়াদ, যিনি নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বাসিন্দা এবং ঢাকার ধানমন্ডির নিউ মডেল এলাকায় বসবাস করেন। গ্রেপ্তার ইব্রাহীমের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের রামদাসদী গ্রামে। অপরদিকে, আমিনুল মাত্র দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী, পড়াশোনা করেন বাড্ডা আলাতুন্নেছো স্কুল অ্যান্ড কলেজে।
গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, কয়েকদিন আগে অভিযুক্তরা সাবেক এমপি সাম্মী আহমেদের অনুপস্থিতিতে তার স্বামীর কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তারা প্রথম দফায় ১০ লাখ টাকা নিয়েও যায়।
ওসি বলেন, “আজ সন্ধ্যা ৮টার দিকে তারা পুনরায় বাড়িতে গিয়ে স্বর্ণালঙ্কার নিতে আসে। তখন পরিবারের সদস্যরা পুলিশে খবর দিলে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পাঁচজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।”
পুলিশ জানায়, অভিযুক্তরা নিজেদের ‘সমন্বয়ক’ পরিচয় ব্যবহার করছিলেন, যা সন্দেহজনক হয়ে উঠলে অনুসন্ধান শুরু করা হয়।
ওসি আরও বলেন, “ঘটনাটি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তারা কোন সংগঠনের সদস্য, কারা তাদের সহায়তা করছে—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। চক্রের পেছনে কারা আছে, সেটিও খুঁজে বের করতে পুলিশ কাজ করছে।
সৈয়দ আসিফ আলী//এসসি//



