ভারতের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য রাজস্থানে পাকিস্তান সীমান্তঘেঁষা এলাকায় বড় পরিসরে সামরিক মহড়া শুরু করতে যাচ্ছে ভারতীয় বিমান বাহিনী। আগামী ২৩ জুলাই থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত চলবে এই মহড়া, যেখানে অংশ নেবে ভারতের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
এই মহড়ায় অংশ নিচ্ছে ভারতের বিমান বাহিনীর অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানসমূহ, যেমন—
- সুখোই এসইউ-৩০
- রাফায়েল
- মিরাজ ২০০০
এছাড়া আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সরঞ্জামের কার্যকারিতাও যাচাই করা হবে।
ভারতের বিমান বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন,
“এটি একটি আংশিক মহড়া। আমাদের ২ থেকে ৩টি কমান্ড অংশ নিচ্ছে। আমরা আগে থেকেই এ ধরনের মহড়া করে থাকি। এবার এটি হবে রাজস্থানে আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছাকাছি।”
রাত্রিকালীন সক্ষমতা যাচাই করাই মূল লক্ষ্য
বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, এই মহড়ার মূল উদ্দেশ্য রাত্রিকালীন যুদ্ধ পরিচালনায় বিমান বাহিনীর প্রস্তুতি ও সক্ষমতা যাচাই করা।
এরই মধ্যে NOTAM (Notice to Airmen) জারি করে জানানো হয়েছে যে, মহড়াকালীন সময়ে (২৩–২৫ জুলাই) রাজস্থানের আকাশ কোনো বিদেশি বিমান ব্যবহার করতে পারবে না— তা সামরিক হোক বা বেসামরিক।
সম্প্রতিক উত্তেজনার পটভূমিতে মহড়া
গত এপ্রিল মাসে কাশ্মিরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার জেরে মে মাসের প্রথম দিকে ভারত ও পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর মধ্যে চার দিন ধরে উত্তেজনা চলেছে। এর ঠিক আড়াই মাস পরেই এই সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে ভারত— যা বিশেষ কূটনৈতিক গুরুত্ব বহন করে।
রাশিয়ার অস্ত্রনির্ভর ভারতীয় বাহিনী
ভারত ঐতিহাসিকভাবে সামরিক সরঞ্জাম ও যুদ্ধবিমানের জন্য রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল। রাজস্থানের এই মহড়ায় অংশ নেওয়া বিমানগুলো— যেমন সুখোই ও মিরাজ— রাশিয়া থেকে আমদানি করা।
সূত্র : আরটি
এসসি//



