রাজধানীর উত্তরায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সর্বশেষ ৯ বছর বয়সী শিক্ষার্থী বাপ্পি দগ্ধ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।”
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান মঙ্গলবার (২২ জুলাই) ভোর ৫টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “ভোরের দিকে বাপ্পি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। তার শরীরের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল। দগ্ধের পরও আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলাম, কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।”
রাতেই মারা যায় আরও ৪ শিক্ষার্থী
এর আগে সোমবার দিবাগত রাতেই একই দুর্ঘটনায় দগ্ধ আরও চার শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। তারা হলেন—এরিকসন (১৩), আরিয়ান (১৩), নাজিয়া (১৩) ও সায়ান ইউসুফ (১৪)।
তাদের শরীরের ৮৫ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত পুড়ে গিয়েছিল বলে জানানো হয়।
পূর্বে মৃত্যুবরণ করা আরও ৫ জন
এই বিমান দুর্ঘটনায় আরও আগে মৃত্যুবরণ করেন:
- তানভীর আহমেদ (অষ্টম শ্রেণি)
- আফনান ফাইয়াজ (সপ্তম শ্রেণি)
- মাহেরীন চৌধুরী (মাইলস্টোন স্কুলের প্রাইমারি সেকশনের হেড কো-অর্ডিনেটর)
- আব্দুল্লাহ সামিন (ষষ্ঠ শ্রেণি)
- জুনায়েদ (তৃতীয় শ্রেণি; মারা যায় ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে)
দগ্ধ ৪১ জন এখনও চিকিৎসাধীন
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ‘এখনো ৪১ জন দগ্ধ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বার্ন ইউনিটের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন। বেশিরভাগের অবস্থাই গুরুতর এবং তাদের চিকিৎসা চলছে।”
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইলস্টোন স্কুলসংলগ্ন মাঠে বিধ্বস্ত হয়। তখন শিক্ষার্থীরা মাঠে অবস্থান করছিল। বিস্ফোরণ ও আগুনে অনেকে দগ্ধ হন।”
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ যৌথ তদন্ত শুরু করেছে।”
এসসি//



