মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মাঝে ইসরায়েলের সামরিক অবকাঠামো পুনর্গঠনে বড় অংকের অর্থ ব্যয় করছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়া ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে বর্তমানে যুদ্ধবিমান হ্যাঙ্গার, গোলাবারুদের গুদাম, রিফুয়েলিং ফ্যাসিলিটি ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ চলছে।”
ইসরায়েলের প্রভাবশালী দৈনিক হারেৎজ জানিয়েছে, এই প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫ কোটি মার্কিন ডলার। তবে ভবিষ্যতে এটি ১০০ কোটি ডলারেরও বেশি ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।”
🏗️ কোন প্রতিষ্ঠান দিচ্ছে অর্থ ও বাস্তবায়ন করছে প্রকল্প?
পুরো নির্মাণ কার্যক্রমের তদারক করছে মার্কিন সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর (U.S. Army Corps of Engineers)। তারা ইসরায়েলে অবস্থানরত সামরিক ঘাঁটিগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন কার্যক্রম চালাতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ঠিকাদারদের নিয়োগ দিচ্ছে।
নির্মাণ কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে:
যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার রাখার জন্য আধুনিক হ্যাঙ্গার
গোলাবারুদের গুদাম ও স্টোরেজ ইউনিট
রিফুয়েলিং ফ্যাসিলিটি (জ্বালানি সরবরাহ কাঠামো)
মেইনটেন্যান্স ও রিপেয়ার স্টেশন
✈️ কোন যুদ্ধ সরঞ্জামের জন্য নির্মাণ হচ্ছে অবকাঠামো?
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে ইসরায়েলকে Boeing KC-46 ট্যাংকার বিমান ও CH-53K হেভি লিফ্ট হেলিকপ্টার সরবরাহ করবে। এদের জন্য হ্যাঙ্গার, স্টোরেজ এবং সার্ভিসিং ফ্যাসিলিটি নির্মাণে আলাদা করে খরচ হচ্ছে:
- KC-46 ট্যাংকার ফ্যাসিলিটির জন্য: ১০ কোটি ডলার
- CH-53K হেলিকপ্টার প্রকল্পের জন্য: ২৫ কোটি ডলার
⚔️ ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপট:
গত ১২ দিনের ইরানি হামলায় ইসরায়েলের একাধিক বিমানঘাঁটি, কমান্ড সেন্টার ও রাডার সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্র এখন দ্রুতগতিতে ইসরায়েলের সামরিক সক্ষমতা পুনরুদ্ধারের পদক্ষেপ নিচ্ছে।”
📄 প্রকল্প পিছিয়ে ছিল কেন?
এই অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প ইতিপূর্বে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, ইরান-ইসরায়েল সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়ায় তা পিছিয়ে যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ায় আবার নতুন করে প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।”
এসসি//



