মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানকে কূটনৈতিকভাবে বড় এক সমর্থন দিল রাশিয়া। মস্কো জানিয়ে দিয়েছে, ইরান যদি শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার করতে চায়, তাহলে তাতে রাশিয়ার কোনো আপত্তি নেই—বরং তারা এতে সহযোগিতা করতেও প্রস্তুত।”
রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন সম্প্রতি আনাদুলু সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন।”
পুতিন বলেন, “আমরা কখনওই এমন কোনো প্রমাণ পাইনি—না আইএইএ পেয়েছে—যা বলছে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র বানাতে চাইছে। বরং ইরানে ধর্মীয়ভাবে পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধ বলে একটি ফতোয়াও রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “রাশিয়া বরাবরই পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। কিন্তু কোনো দেশ যদি শান্তিপূর্ণভাবে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার করতে চায়, তাহলে রাশিয়া তার পাশে থাকবে।”
🔍 আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও প্রেক্ষাপট:
এই মন্তব্য এসেছে এমন এক সময়, যখন ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে ইরান পাল্টা হামলা চালিয়েছে।এতে দুই পক্ষেই প্রাণহানির সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে।”
এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে রুশ প্রেসিডেন্টের বক্তব্যকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। পশ্চিমা দেশগুলোর ব্যাপক চাপের মুখে থাকা ইরান এই বার্তাকে একটি কূটনৈতিক জয়ের রূপেই দেখছে।”
বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার এমন সমর্থন ইরানকে শুধু কূটনৈতিক নয়, পরমাণু শক্তি নিয়ে টেকনিক্যাল সহায়তার ক্ষেত্রেও সুবিধা এনে দিতে পারে।”
মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক অস্থিরতার মধ্যে পুতিনের এই বার্তা তেহরানের জন্য এক ধরনের আশ্বাস। একই সঙ্গে এটি পশ্চিমা শক্তিগুলোর প্রতি একটি স্পষ্ট বার্তা—ইরানকে একঘরে করা সহজ হবে না।”
এসসি//



