ইরানের পরমাণু স্থাপনায় একাধিকবার হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। কিন্তু এসব হামলায় ইরানের পরমাণু অবকাঠামোর কোনো উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছেন ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের পরমাণু শক্তি সংস্থা (AEOI)-এর প্রধান মোহাম্মদ ইসলামি।’
বুধবার (১৮ জুন) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইসলামি জানান, “ইসরায়েলের হামলা পরিকল্পিত হলেও তা আমাদের পরমাণু কার্যক্রমে কোনো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারেনি। আমাদের স্থাপনাগুলো ভালো অবস্থায় আছে এবং কর্মীদের মনোবল অটুট।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের বিজ্ঞানীরা ও কর্মীরা তাদের নিজ নিজ দায়িত্বে অটল রয়েছেন এবং যথাযথ প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ইরানি জনগণের মধ্যে যে গর্ব ও জাতীয় শক্তি প্রোথিত, তা কখনোই হুমকির মুখে নতি স্বীকার করেনি।”
ইসলামি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সামরিক আগ্রাসনের মাধ্যমে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সাফল্য অর্জন করা সম্ভব নয়। বরং এটি শত্রুদের জন্য আত্মঘাতী হবে।”
গত ১৩ জুন ভোরে ইসরায়েল ইরানে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা শুরু করে। এতে ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় ইসফাহান প্রদেশের নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনা, বেশ কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি, এবং আবাসিক এলাকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এই হামলায় অন্তত ৩০ জন সামরিক কমান্ডার, বিজ্ঞানী ও বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
তবে ইসলামী সরকারের দাবি—এই হামলায় কৌশলগতভাবে ইরানের পরমাণু কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, বরং জাতির মধ্যে প্রতিরোধের মনোভাব আরও জোরালো হয়েছে।
এসসি//



