◆গাজীপুরের টঙ্গীর গাজীবাড়ি এলাকায় এক ভাড়া বাসা থেকে রাবেয়া সাবরিন লিখন (২৮) নামের এক তরুণীর হাত-পা ও মুখ বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে বাড়ির মালিক গোলাম মোস্তফাকে আটক করা হয়েছে।''
সোমবার (১৯ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে টঙ্গীর গাজীবাড়ি (পুকুরপাড়) এলাকার একটি বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত রাবেয়া সাবরিন লিখন পেশায় একজন কম্পিউটার অপারেটর ছিলেন এবং টঙ্গীর শারীরিক প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট (মৈত্রী শিল্প)–এ তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।”
টঙ্গী পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল হোসেন জানান, “প্রায় এক বছর আগে নিহত লিখন গোলাম মোস্তফার বাড়ির দ্বিতীয় তলায় একটি কক্ষ ভাড়া নেন। তিনি সেখানে মাকে নিয়ে বসবাস করতেন। ঘটনার সময় তিনি একাই ছিলেন। সকালে পাশের ভাড়াটিয়ারা লিখনের কক্ষের দরজা বাইরে থেকে আটকানো দেখতে পান। দরজা খুলে বিছানার ওপর তার হাত-পা ও মুখ গামছা ও ওড়না দিয়ে বাঁধা মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।”
মৈত্রী শিল্পের ম্যানেজার মহসিন আলী জানান, “লিখন আমাদের প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার অপারেটর পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি নিষ্ঠাবান কর্মী ছিলেন।”
টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন, “মরদেহের সুরতহালে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর বাড়ির সিসিটিভি ক্যামেরা খুলে ফেলা হয়েছে বলে জানা গেছে। ফুটেজ উদ্ধারে চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা করা হবে।”
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন হবে। এদিকে নিহত তরুণীর সহকর্মীরা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।”
এসসি//



