◆ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানা থেকে আওয়ামী লীগ নেতা নাসির উদ্দিন (৫১) পালানোর ঘটনায় আলফাডাঙ্গা থানার ওসি হারুন অর রশিদকে স্ট্যান্ড রিলিজ (তাৎক্ষণিক বদলি) করা হয়েছে বলে জানা গেছে।’
▪মঙ্গলবার (১৩ মে) বিকেলে স্ট্যান্ড রিলিজ হওয়া আলফাডাঙ্গা থানার (ওসি) হারুন-অর-রশিদ নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এর আগে সোমবার দুপুরে আটকের পর থানা থেকে কৌশলে পালিয়ে যান আলফাডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন। তবে পলাতক নাসির উদ্দিনকে গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।’
▪এলাকাবাসী ও থানা সূত্রে জানা যায়,আলফাডাঙ্গা পৌরসদরের বাকাইল এলাকার ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিনের টিনের দোকান রয়েছে। তিনি আলফাডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্বে রয়েছেন। গতকাল সোমবার দুপুরের দিকে তার নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে আটক করে থানায় নেয় পুলিশ। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তিনি থানা থেকে কৌশলে পালিয়ে যান।’
‘এ ঘটনার পর নাসির উদ্দিনের বড় ভাই স্থানীয় বাকাইল মাদরাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নবাব আলীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।নাসির উদ্দিনের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ‘নাসির উদ্দিন রাজনীতি করেন এটা ঠিক। কিন্তু তিনি কোনো মামলার আসামি না। তাকে পুলিশ থানায় নেওয়ার পর তিনি ভয় পান এবং থানা থেকে পালিয়ে যান।”
▪পরে বড় ভাইকে আটক করে পুলিশ নিয়ে গেলে পরিবারের সিদ্ধান্তে নাসির উদ্দিন আত্মসমর্পণ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ বলেন, নাসির উদ্দিন পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। সোমবার তাকে আটকের পর থানা থেকে তিনি কৌশলে পালিয়ে যান। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোপালগঞ্জ থেকে তাকে ধরে আনা হয়েছে।’
▪ওসি বলেন,আসামি ধরাকে কেন্দ্র করে আমাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে।আলফাডাঙ্গা থানায় ওসি হিসেবে এখনো দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।আমাকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।আজ রাতেই আলফাডাঙ্গা ছেড়ে পুলিশ লাইনসে যোগদান করবো।’
এসসি//



