➡টাঙ্গাইলের সখীপুর থানার ঘোনারচালা গ্রামে আমেনা বেগম (৪৫) নামের এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ধান ক্ষেতে চলে গেছে দুর্বৃত্তরা।নিহত আমেনা বেগম সৌদি প্রবাসী দুলাল হোসেনের স্ত্রী ছিলেন।’
বৃহস্পতিবার(১৭ এপ্রিল)সকালে বাড়ির পাশের একটি ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। করে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।’
নিহতের গলায় ওড়না প্যাঁচানো ছিল, ‘আর শরীরে ছিল আঘাতের চিহ্ন। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে এবং হত্যার পর তার শরীরে থাকা স্বর্ণালংকার লুট করা হয়েছে। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।’
পরিবারের বরাতে জানা গেছে, ‘বুধবার রাতে আমেনা বেগম প্রতিদিনের মতো পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে রাতের খাবার শেষ করেন। রাত প্রায় ১০টার দিকে তিনি তার স্বামী দুলাল হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলার সময় ঘর থেকে বের হয়ে যান। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি আর ঘরে ফিরে আসেননি।পরিবার ও প্রতিবেশীরা সারা রাত ধরে খোঁজাখুঁজি করলেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। অবশেষে বৃহস্পতিবার সকালে পাশের ধানক্ষেতে মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে সখীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে এবং তা ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।’
নিহতের মেয়ে লিতু আক্তার বলেন, ‘আম্মু কিছুক্ষণ আগেও ফোনে আব্বুর সঙ্গে কথা বলছিল। কিছু বুঝে উঠতে পারছি না-কে, কীভাবে, কেন এমন করল! আমাদের কিছুই নেই, কারো সঙ্গে কোনো বিরোধও নেই।’
নিহতের ছোট ভাই রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বোন একজন সহজ-সরল গৃহবধূ ছিলেন। কারো সঙ্গে কখনো ঝগড়া বা শত্রুতা হয়নি। আমরা ভাবতেই পারছি না, কীভাবে এই নির্মম ঘটনা ঘটলো।’
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.জাকির হোসেন বলেন, ‘আমেনা বেগমের মরদেহে শ্বাসরোধের চিহ্ন রয়েছে এবং পরনে থাকা স্বর্ণালংকার লুট করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ঘটনাটি খুবই স্পর্শকাতর, আমরা গুরুত্ব সহকারে তদন্ত শুরু করেছি। দুর্বৃত্তদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”
তিনি আরও বলেন, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এবং সম্ভাব্য সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। যারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।’
এসসি//



